মদীনায় প্রবেশ করে রাসূলের উট যে স্থানে প্রথম বসে পড়েছিল, সেই স্থানটিই হ’ল মসজিদে নববীর কেন্দ্রস্থল। স্থানটির মালিক ছিল দু’জন ইয়াতীম বালক। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দশ দীনার মূল্যে স্থানটি খরীদ করলেন। আবুবকর (রাঃ) মূল্য পরিশোধ করলেন। অতঃপর তার আশপাশের কবরগুলি এবং বাড়ী-ঘরের ভগ্নস্তূপ সহ স্থানটি সমতল করলেন।
গারক্বাদের খেজুর গাছগুলি উঠিয়ে সেগুলিকে ক্বিবলার দিকে সারিবদ্ধভাবে পুঁতে দেওয়া হয়। ঐ সময় ক্বিবলা ছিল বায়তুল মুক্বাদ্দাস, যা ছিল মদীনা হ’তে উত্তর দিকে। তিনটি দরজার দু’বাহুর স্তম্ভগুলি পাথরের, মধ্যের খাম্বাগুলি খেজুর বৃক্ষের, দেওয়াল কাঁচা ইটের, ছাদ খেজুর ডালপাতার এবং বালু ও ছোট কাঁকর বিছানো মেঝে-এই নিয়ে তৈরী হ’ল মসজিদে নববী, যা তখন ছিল ৭০×৬০×৭ হাত আয়তন বিশিষ্ট। পরবর্তীতে বাড়িয়ে ১০০×১০০×৭ করা হয়।
যেখানে বর্ষায় বৃষ্টি ঝরে পড়ত। ১৬ বা ১৭ মাস পরে ক্বিবলা পরিবর্তিত হ’লে উত্তর দেওয়ালের বদলে দক্ষিণ দেওয়ালের দিকে ক্বিবলা ঘুরে যায়। কেননা মক্কা হ’ল মদীনা থেকে দক্ষিণ দিকে। এ সময় উত্তর দেওয়ালের বাইরে একটা খেজুর পাতার ছাপড়া দেওয়া হয়। আরবীতে বারান্দা বা চাতালকে ‘ছুফফাহ’ বলা হয়। উক্ত ছুফফাহ’তে নিঃস্ব ও নিরাশ্রয় মুসলমানদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দেওয়া হ’ত। পরবর্তীতে তাদের কোন ব্যবস্থা হয়ে গেলে তারা চলে যেতেন। বারান্দায় বা চাতালে সাময়িক আশ্রয় গ্রহণকারীগণ ইতিহাসে ‘আছহাবে ছুফফাহ’ (أصحاب الصفة) নামে খ্যাতি লাভ করেছেন ।
মসজিদ নির্মাণে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সশরীরে অংশগ্রহণ করেন। তিনি নিজ হাতে ইট ও পাথর বহন করেন। এ সময় তিনি সাথীদের উৎসাহিত করে তাদেরকে সাথে নিয়ে বলতেন,
‘হে আল্লাহ! আখেরাতের আরাম ব্যতীত কোন আরাম নেই’। অতএব তুমি আনছার ও মুহাজিরদের ক্ষমা কর’। অন্য বর্ণনায় এসেছে,
‘হে আল্লাহ! আখেরাতের কল্যাণ ব্যতীত কল্যাণ নেই। অতএব তুমি আনছার ওমুহাজিরদের সাহায্য কর’। মসজিদ নির্মাণের বরকত মন্ডিত কাজের প্রতি উজ্জীবিত করার জন্য তিনি বলেন,
‘এটা খায়বারের বোঝা নয়। একাজ আমাদের পালনকর্তার অতীব পুণ্যময় ও পবিত্র কাজ’।রাসূলের নিজ হাতে কাজ করায় উৎসাহিত হয়ে ছাহাবীগণ গেয়ে ওঠেন-
‘যদি আমরা বসে থাকি, আর নবী কাজ করেন, তবে সেটা আমাদের পক্ষ থেকে হবে নিতান্তই ভ্রষ্ট আমল’।
গারক্বাদের খেজুর গাছগুলি উঠিয়ে সেগুলিকে ক্বিবলার দিকে সারিবদ্ধভাবে পুঁতে দেওয়া হয়। ঐ সময় ক্বিবলা ছিল বায়তুল মুক্বাদ্দাস, যা ছিল মদীনা হ’তে উত্তর দিকে। তিনটি দরজার দু’বাহুর স্তম্ভগুলি পাথরের, মধ্যের খাম্বাগুলি খেজুর বৃক্ষের, দেওয়াল কাঁচা ইটের, ছাদ খেজুর ডালপাতার এবং বালু ও ছোট কাঁকর বিছানো মেঝে-এই নিয়ে তৈরী হ’ল মসজিদে নববী, যা তখন ছিল ৭০×৬০×৭ হাত আয়তন বিশিষ্ট। পরবর্তীতে বাড়িয়ে ১০০×১০০×৭ করা হয়।
যেখানে বর্ষায় বৃষ্টি ঝরে পড়ত। ১৬ বা ১৭ মাস পরে ক্বিবলা পরিবর্তিত হ’লে উত্তর দেওয়ালের বদলে দক্ষিণ দেওয়ালের দিকে ক্বিবলা ঘুরে যায়। কেননা মক্কা হ’ল মদীনা থেকে দক্ষিণ দিকে। এ সময় উত্তর দেওয়ালের বাইরে একটা খেজুর পাতার ছাপড়া দেওয়া হয়। আরবীতে বারান্দা বা চাতালকে ‘ছুফফাহ’ বলা হয়। উক্ত ছুফফাহ’তে নিঃস্ব ও নিরাশ্রয় মুসলমানদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দেওয়া হ’ত। পরবর্তীতে তাদের কোন ব্যবস্থা হয়ে গেলে তারা চলে যেতেন। বারান্দায় বা চাতালে সাময়িক আশ্রয় গ্রহণকারীগণ ইতিহাসে ‘আছহাবে ছুফফাহ’ (أصحاب الصفة) নামে খ্যাতি লাভ করেছেন ।
মসজিদ নির্মাণে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সশরীরে অংশগ্রহণ করেন। তিনি নিজ হাতে ইট ও পাথর বহন করেন। এ সময় তিনি সাথীদের উৎসাহিত করে তাদেরকে সাথে নিয়ে বলতেন,
‘হে আল্লাহ! আখেরাতের আরাম ব্যতীত কোন আরাম নেই’। অতএব তুমি আনছার ও মুহাজিরদের ক্ষমা কর’। অন্য বর্ণনায় এসেছে,
‘হে আল্লাহ! আখেরাতের কল্যাণ ব্যতীত কল্যাণ নেই। অতএব তুমি আনছার ওমুহাজিরদের সাহায্য কর’। মসজিদ নির্মাণের বরকত মন্ডিত কাজের প্রতি উজ্জীবিত করার জন্য তিনি বলেন,
‘এটা খায়বারের বোঝা নয়। একাজ আমাদের পালনকর্তার অতীব পুণ্যময় ও পবিত্র কাজ’।রাসূলের নিজ হাতে কাজ করায় উৎসাহিত হয়ে ছাহাবীগণ গেয়ে ওঠেন-
‘যদি আমরা বসে থাকি, আর নবী কাজ করেন, তবে সেটা আমাদের পক্ষ থেকে হবে নিতান্তই ভ্রষ্ট আমল’।
No comments:
Post a Comment