Followers

Monday, 20 February 2012

কে কে আগামিকাল প্রতীকি মূর্তির সামনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন??

খলীফা ওমর (রাঃ)-এর সময় তাকে সংবাদ দেয়া হল যে, কতিপয় মানুষ ঐ বৃক্ষের উদ্দেশ্যে যাতায়াত করে যে বৃক্ষের নীচে ছাহাবীগণ নবী করীম (ছাঃ)-এর হাতে বায়‘আত করেছিলেন। অতঃপর তিনি [ওমর (রাঃ)] ঐ বৃক্ষকে কেটে ফেলার নির্দেশ দিলেন (ফাৎহুল বারী ৭/৪৪৮)।
কিন্তু বর্তমানে আমরা সংস্কৃতির নামে, আধুনিকতার নামে অহরহ শিরক করে চলেছি। স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ও শহীদ দিবস আসলে আমরা শহীদ মিনারে ও স্মৃতিসৌধে গিয়ে ফুলের স্তবক দেই, নীরবে দাঁড়িয়ে থাকি, শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাই। প্রতিটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ মিনার তৈরী করে দেশে ভবিষ্যৎ কর্ণধার কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে শিরক শিক্ষা দেয়া হচ্ছে।

অথচ সবচেয়ে বড় গুনাহ ও শিরক থেকে বেঁচে থাকার যথার্থ শিক্ষা দেয়াই উচিৎ ছিল এ দেশের তরুণ প্রজন্মকে। আবার অতি আধুনিকতার দোহাই পেড়ে খোদ ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সংগ্রামকারী ব্যক্তিবর্গও ইট-পাথর-বালু-সিমেন্টের তৈরী খাম্বা বা পিলারকে সামনে রেখে মাথা নত করে সম্মান প্রদর্শন করে, এক মিনিট নীরবতা পালন করে, পুষ্পস্তবক অর্পণ করে, নানা কায়দায় সম্মান প্রদর্শন করে। এসব কিছুর মধ্যে মূলতঃ মৌলিক কোন পার্থক্য নেই। বরং পর্যায়ক্রমে শেষেরটা বেশী হাস্যকর। শীতকালে প্রচন্ড শৈত্যপ্রবাহ কুয়াশাচ্ছন্ন দিনে সকাল, দুপুর, বিকাল তথা সারাদিনই একই রকম থাকে। সারাদিনই সূর্যের আলোর মুখ দেখা যায় না। ঠিক মূর্তিপূজা, কবর বা মাজার পূজা ও শহীদ মিনার পূজা একই সূত্রে গাঁথা। স্রেফ কিছু নিয়ম-নীতির পার্থক্য মাত্র।

ভাস্কর্যের নামে শিক্ষাঙ্গন ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে মূর্তি স্থাপন করা ও তাকে সম্মান দেখানো, শিখা অনির্বাণ ও শিখা চিরন্তন বানিয়ে নীরবে সম্মান প্রদর্শন করা মূর্তিপূজার শামিল। যা শিরক।

No comments:

Post a Comment

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...